শনিবার, ১১ Jul ২০২৬, ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন

হাত-পা বেঁধে কিশোর নির্যাতন: আট দিনেও গ্রেপ্তার হয়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক, নগরকন্ঠ.কম : ঠাকুরগাঁওয়েরর পীরগঞ্জে হাত-পা বেঁধে দুই কিশোরকে নির্যাতনের ঘটনায় মামলা হওয়ার আট দিন পেরিয়ে গেলেও গ্রেপ্তার হয়নি কেউ।

শনিবার (১৩ জুন) ঠাকুরগাঁওয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবু তাহের মো. আব্দুল্লাহ নির্যাতিতদের বাড়িতে যান। সেসময় তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির আওতার আনা হবে বলে পরিবারটিকে আশ্বস্ত করেন।

এ ঘটনায় গত শুক্রবার (৫ জুন) পীরগঞ্জ থানায় সেনগাঁও ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য জহিরুল ইসলাম গুড ও মোতালেব আলীসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন নির্যাতনের শিকার সুমনের (১৩) মা ও কমিরুলের (১৬) ফুফু শরিফা খাতুন।

এর আগে গত ২২ মে সেনগাঁও ইউনিয়নে দুই কিশোরকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন চালায় ইউপি সদস্য জহিরুল ইসলাম গুড ও মোতালেব আলীসহ তাদের বেশ কয়েকজন সমর্থক। এরপর পরিবারটিকে অবরুদ্ধ করে রাখে তারা।

এদিকে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে একটি মহল তৎপর রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারটি। তারা মামলা তুলে নিতে পরিবারটিকে নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, সেনগাঁও ইউনিয়নের দেওধা গ্রামে শরিফা নামে এক গৃহবধূকে কুপ্রস্তাব দেয় একই গ্রামের মোতালেব আলী। ওই গৃহবধূ এ প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় যড়যন্ত্রমূলকভাবে গত ২২ মে মোবাইল চুরির কথিত অভিযোগে তার নাবালক ছেলে সুমন (১৩) ও ভাতিজা কমিরুলকে (১৬) রশি দিয়ে বেঁধে মারধর করে। এসময় শরিফা খাতুন বাধা দিলে তাকেও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়।

অভিযোগের প্রধান আসামি জহুরুল ইসলামসহ বাকিদের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কেউ ফোন ধরেননি। তবে তাদের সবারই ফোন খোলা ছিলো।

নির্যাতনের শিকার সুমনের মা ও কমিরুলের ফুফু শরিফা খাতুন বলেন, ‘আমি আমার ছেলে ও ভাতিজার ওপর নির্যাতনকারীদের বিচার চাই।’

ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামান জানান, মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তাদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তি প্রদান করা হবে।

নগরকন্ঠ.কম/এআর

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com